Posts

Image
II ভালো গান শুনুন, ভালো সময় কাটান II " স্বপ্নে তার সাথে হয় দেখা " শিল্পীঃ হাবিব ওয়াহিদ সুরকারঃ হাবিব ওয়াহিদ গীতিকারঃ সুস্মিতা বিশ্বাস সাথী এলবামঃ 'শোনো' (২০০৬) ভিডিও ১ স্বপ্নে তার সাথে হয় দেখা / হাবিব ওয়াহিদ ভিডিও ২ নিজের লেখা গীতি কবিতাটি কিভাবে গান হল সেই গল্পই শোনাচ্ছেন গীতিকার সুস্মিতা বিশ্বাস সাথী খুব ছোটবেলায় যখন থেকে অক্ষর গুছিয়ে শব্দ আর শব্দ গুছিয়ে বাক্য রচনা করা শিখেছেন তখন থেকেই কবিতা, গল্প আর গান লেখালেখি করেন সুস্মিতা বিশ্বাস সাথী। প্রথম কবিতা লিখেছেন ৫ বছর বয়সে। প্রথম গল্প লিখেছেন ৬ বছর বয়সে আর প্রথম গান লিখেছেন ১০ বছর বয়সে। ২০০৭ সালে সুস্মিতা বিশ্বাস সাথী এস এস সি পাশ করেছেন। তখন সুস্মিতা বিশ্বাস সাথী ১০ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী। “স্বপ্নে তার সাথে হয় দেখা” গানটি ওই সময়েই লেখা হয়। ২০০৬ এ রিলিজ হওয়া হাবিব ওয়াহিদের প্রথম সোলো এলবাম 'শোনো' এর গান। সকল শ্রোতার অন্তরে হাবিব ওয়াহিদ বীরদর্পে জায়গা করে নিয়েছেন এ গান দিয়ে। 'শোনো' এলবাম এর গানগুলো শুনলে এখনও বার...
Image
STORY BEHIND THE SONG. গানের পিছনের গল্প। " বাজে গো বীণা " সুরকারঃ সলিল চৌধুরী গীতিকারঃ সলিল চৌধুরী ১) " বাজে গো বীণা "/ জীমূত রায় ২) " বাজে গো বীণা " / মান্না দে ছায়াছবিঃ মর্জিনা আবদাল্লা (১৯৭২) 'মর্জিনা আবদাল্লা' ছবির গান রেকর্ডিং হবে। স্টুডিওতে সব মিউজিশিয়ানরা এসে গেছেন। সুরকার সলিল চৌধুরী এলেন কিন্তু কোন গান না নিয়ে। এসেই একটা ঘরে ঢুকে গেলেন। বললেন চা পাঠিয়ে দিতে। ঘন্টাখানেক বাদে ঘর থেকে বেরোলেন 'বাজে গো বীণা' লিখে একেবারে সুরসহ তৈরি করে। গীতিকার পুলক বন্দোপাধ্যায়-এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু কণ্ঠশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন যে, সলিল চৌধুরী'র গানের ফাইনাল কথা কোনদিনই রেকর্ডিং-এর আগে হাতে পাননি। সময়ের চাপে অনেকেই এইভাবে গান তৈরি করেছেন। এভাবে সলিল চৌধুরী'র গানও তৈরি হতো। এটা ঠিকই যে রবীন্দ্র সংগীতে গানের প্রথম লাইন দেখে যে তাল ধরা যায়, পুরো গানটা সেই একই তালে বাজে। প্রায় সাতানব্বই/আটানব্বই শতাংশ গানই এই ধরণের হয়। কিন্তু পরে এরকম আরও অনেক গানই ব...
Image
STORY BEHIND THE SONG. গানের পিছনের গল্প। "কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু" সুরকারঃ বাউল শাহ্ আব্দুল করিম গীতিকারঃ বাউল শাহ্ আব্দুল করিম সংগীতায়োজনঃ হাবিব ওয়াহিদ ১)  কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু / শাহেদ ইকবাল ২)  কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু / হাবিব ওয়াহিদ  ৩) কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু / সায়েরা রেজা ৪) কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু / সাইদা তানি ৫) কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু / বাঁশি / ইফতেখারুল আনাম হাওরবেষ্টিত ভাটি বাংলার প্রত্যন্ত গ্রাম ‘উজান ধল’।  সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার এই গ্রামে ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন মরমী সাধক বাউল শাহ্ আব্দুল করিম। আর মৃত্যু বরণ করেন ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। গানে গানে পিরিতি তিনি এতোটাই বাড়িয়ে গেলেন যে, তার অনুপস্থিতি আজও আমাদের ভারাক্রান্ত করে। বাউল শাহ্ আব্দুল করিম যে হাওরের নিলুয়া বাতাস তাকে করে তুলেছিল বাউল, সেই বাতাসকে আলিঙ্গন করে নিজ বসত বাড়ির উঠানে চিরনিদ্রায় শুয়ে রয়েছেন মরমী সাধক বাউল শাহ্ আব্দুল করিম। পাশেই শুয়ে আছেন প্রিয়তমা ...
Image
STORY BEHIND THE SONG. গানের পিছনের গল্প। “দ্বিধা” (বাহির বলে দুরে থাকুক, ভিতর বলে আসুক না) শিল্পীঃ হাবিব ওয়াহিদ ও নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সুরকারঃ হাবিব ওয়াহিদ গীতিকারঃ মারজুক রাসেল ছবিঃ থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হাবিব ওয়াহিদ ও ন্যান্সি— একসঙ্গে হলেই জন্ম নেয় জনপ্রিয় সব গান। ‘দ্বিধা’ গানটির জন্য তাঁরা দুজনই পেয়েছেন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০০৯-এর সেরা কণ্ঠশিল্পীর পুরস্কার। হাবিব ওয়াহিদ, ন্যান্সি ও মারজুক রাসেল কথা বলছেন গানের পেছনের গল্প নিয়ে। শিল্পী হাবিব ওয়াহিদ শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি হাবিব ওয়াহিদ ও ন্যান্সি'র কথা— ‘আমার জীবনের সবচেয়ে কম সময়ে তৈরি করা গান “দ্বিধা”।’ বলছিলেন হাবিব। সেটা কী রকম? ‘মারজুক রাসেলের লেখাটা আমাকে দিয়ে ফারুকী ভাই সিকোয়েন্সটা বুঝিয়ে দিলেন। কথাগুলো পড়েই আমার ভেতরের অনুভূতিটা নড়ে উঠল। দু-তিন ঘণ্টা পর আবিষ্কার করলাম ডামি ভয়েসসহ পুরো গান তৈরি। এত কম সময়ে এর আগে কোনো গান আমি তৈরি করতে পারিনি।’ যেখানে কখনো কখনো একটা গান তৈরি করতে হাবিবের দু-তিন দিন সময়ও লেগে যায়, সেখা...
Image
II ভালো গান শুনুন, ভালো সময় কাটান II " কালী নদী " শিল্পীঃ রাজীব হোসেন সুরকারঃ অলোক বাপ্পা সঙ্গীতায়োজনঃ রাজীব হোসেন গীতিকারঃ চঞ্চল মাহমুদ রিলিজ হলো গানটির লিরিকাল ভিডিও। পরবর্তীতে গানটির সম্পুর্ণ মিউজিক ভিডিওটিও রিলিজ হবে। গানটিতে রূপকার্থে স্বয়ং শিল্পী রাজীব হোসেনকেই নাকি বোঝানো হয়েছে। সুরকার অলোক বাপ্পা
Image
SONGS in PAIRS with the STORY BEHIND. জোড়ায় জোড়ায় গান পিছনের গল্প সহ। এবারের রাগ " ঝিঁঝোটি "   এই পোস্টের দুটি গান একই রাগ ' ঝিঁঝোটি ' - এর উপর ভিত্তি করে সৃষ্ট প্রায় একই সুরে দুটি গান। “ আমি যে জলসাঘরে , বেলোয়ারি ঝাড়” এবং “মেরে মেহেবুব , তুঝে মেরি মহব্বত কী কসম” । একই রাগের উপরে সৃষ্ট গানসমূহ সবসময় একসঙ্গে একই সুরের চলনে চলে , বলা যায় সৈনিকদের এক তালে মার্চ করে যাওয়ার মত করে চলে। কোন সঙ্গীত পরিচালক একটি নির্দিষ্ট রাগের উপর ভিত্তি করে যখনই একটি গান রচনা করেন তখন তিনি নিশ্চিত হয়ে নেন যে , তিনি সেই রাগের বন্দিশ ব্যবহার করছেন। একই রাগের উপর ভিত্তি করে সৃষ্ট দুটি গান শুনতে প্রায় একই রকম লাগে। মনে হয় গান দুটি সবসময় একই সুরকে অনুসরণ করছে , বুঝিবা একই সুরে গাঁথা। বন্দিশ , সঙ্গীতের এমন একটি উপাদান যা একটি নির্দিষ্ট রাগের উপর ভিত্তি করে সুর সৃষ্টিতে প্রভাব বিস্তার করে। গান দুটির ভিডিও নিচে দেয়া হল। গান শুনতে চাইলে ভিডিওতে ক্লিক করুন। ১) অনুপ্রাণিত আধুনিক বাংলা গান  “ আমি যে জলসাঘরে , বেলোয়ারি ঝাড় “ শিল্পীঃ মান্না দে সঙ্গীত পরিচালকঃ অনিল বাগচ...
Image
II ঠুমরি II আমার আজকের ঠুমরি হচ্ছে "বাবুল মোরা নৈহার ছুটহী যায়" এই ঠুমরিটি রাগ ভৈরবীতে বাঁধা হয়েছে। এখানে কিছু ভিডিও ক্লিপ আছে। গান শুনতে প্রতিটি গানের সাথে দেওয়া ভিডিও লিংকে ক্লিক করুন। ১) “বাবুল মোরা” / জগজিৎ সিং ও চিত্রা সিং ২) “বাবুল মোরা” / গজল রানী বেগম আখতার ৩) “বাবুল মোরা” (ক্লাসিকাল বন্দিশ) /জগজিৎ সিং ৪) “বাবুল মোরা” / সায়ানি পালিত (X-Raf) মোগলদের হাত থেকে যেদিন ইংরেজরা ছলেবলে-কৌশলে দিল্লির সিংহাসন দখল করে নিল সেদিনই ভারতবর্ষের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের ভুবনে নেমে এসেছিল তমসা। ইংরেজরা বেনিয়ার জাত। তারা বাণিজ্য বোঝে, সংস্কৃতি বোঝে না, সঙ্গীত বোঝে না। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে আলাউদ্দিন খিলজির আমলে যে রাগসঙ্গীত আমির খসরু উদ্ভাবন করেছিলেন এবং তিলে তিলে গড়েছিলেন, অনেক যুগ অতিক্রমের পর ইংরেজের হাতে তার নিধন শুরু হলো। মোগল সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ল। যে দিল্লির রাজদরবারে 'নবরত্ন' সভা এককালে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছিল, ইংরেজের নিষ্পেষণে সেই নবরত্নের চিহ্ন রইল না। ফলে দিল্লির সঙ্গীতজ্...