STORY BEHIND THE SONG.
গানের পিছনের গল্প।
" ভালোবাসবো বাসবো রে বন্ধু "
শিল্পীঃ হাবিব ওয়াহিদ
সুরকারঃ হাবিব ওয়াহিদ
গীতিকারঃ জুয়েল মাহমুদ
ছায়াছবিঃ হৃদয়ের কথা (২০০৬)
" ভালোবাসবো বাসবো রে বন্ধু "
বিপুল জনপ্রিয় হওয়া একটি রোমান্টিক গান, বাংলা ছবির গানের ধরণ পালটে দেওয়া গানের পিছনের গল্প। হাবিব ওয়াহিদের গাওয়া এই গানটির প্রণয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল সব বয়সী গানপাগল মানুষ। গানটির কথা ও সুরই শুধু নয়, দৃশ্যায়নও মুগ্ধ করেছিল শ্রোতা ও দর্শকদের। জনপ্রিয় এ গানের পেছনের গল্পটি শোনালেন ছায়াছবি 'হৃদয়ের কথা' -এর পরিচালক এস এ অলিক।
পরিচালক এস এ অলিক
" 'হৃদয়ের কথা' ছায়াছবিটি নিয়ে আমি খুব সিরিয়াস ছিলাম। চাইছিলাম এর সবকিছুই যেন সুন্দর হয়। গল্প থেকে শুরু করে গান পর্যন্ত কোথাও কোনো ছাড় দিতে চাইনি। তাই যখন গল্পের প্রয়োজনে গান যোগ করতে হলো তখন ভালো এবং মৌলিক কোনো কথা ও সুর খুঁজছিলাম। গানের কথার জোগানদার হিসেবে আমি বেছে নিয়েছিলাম জুয়েল মাহমুদকে। সে আমার এ চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে তখন কাজ করছিল। এর আগে আমার নির্মিত কয়েকটি নাটকের শিরোনাম সংগীতের গীতিকার ছিল সে।
আমি, জুয়েল ও রিয়াজ ভাই (নায়ক) একদিন বসলাম গান নিয়ে। রাত তখন আড়াইটা বাজে। জুয়েল নানা কথায় গান সাজাচ্ছিল। কোনোটাই মনে ধরছিল না। একসময় তাকে বললাম,
'জুয়েল ভালোবাসার কথা এত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে না বলে সরাসরি বল। ভালোবাসা বিষয়টাই সরল সুন্দর। এখানে এত জটিলতার কী প্রয়োজন!'
এ কথা শুনে জুয়েল সহজ সাবলীল ভাষায় গানটি লিখে ফেলল। আমাদের সবারই খুব পছন্দ হলো। এরপর এল গায়ক ও সুরকার খোঁজার পালা। আমরা হাবিবকে বেছে নিলাম তার ভিন্ন ধরনের গায়কীর কারণে। এর আগে হাবিবের সাথে আমার কোনো মুখোমুখি পরিচয় ছিল না। এ গানের সূত্রেই পরিচয়ের শুরু। হাবিব অনেক যত্ন নিয়ে গানটির সুর করে আমাদের গেয়ে শোনাল। শুনে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে তাকে বললাম, এটা কি হলো! এ গানের দৃশ্যায়নের প্ল্যানই তো এখন পাল্টাতে হবে। সত্যিই তাই হয়েছিল। এত সুন্দর একটি গানের চিত্রায়নই তখন আমার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অবশ্য আমি এ চ্যালেঞ্জের সফল মোকাবেলা করেছি। কারণ দর্শকরা গানটির কথা-সুরের পাশাপাশি চিত্রায়নেও মুগ্ধ হয়েছে।"



Comments
Post a Comment